latest News
Home / বিবিধ / হাঙরের স্যুপ খেতে ভালোবাসেন কিম জং উন

হাঙরের স্যুপ খেতে ভালোবাসেন কিম জং উন

অজ্ঞাতবাস কাটিয়ে ফিরলেও বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের। কখনও পরমাণু বিতর্ক, কখনও বা একাধিক স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত-ঘুরে ফিরে খবরেই থেকে গিয়েছেন কিম জন উন।

এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে ‘মৃত্যুশয্যায় কিম’ জল্পনা। আর এরমধ্যেই আলোচনায় কিম জং উনের ডায়েট।

উত্তর কোরিয়ার প্রাক্তন সরকারি শেফ (রাঁধুনী) কেঞ্জি ফুজিমোতো’কে উদ্ধৃত করে কিমের ডায়েট সম্পর্কে তথ্য দিয়েছে এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্য়ম। যা অনুযায়ী, দামি ওয়াইন পানের সখ রয়েছে কিমের। এছাড়াও চিজ খেতে খুবই ভালোবাসেন উত্তর কোরিয়ার শাসক।

ফুজিমোতোর এক পুরনো সাক্ষাৎকার অনুযায়ী, চমক অন্যত্র! বাচ্চা হাঙরের স্যুপ নাকি খুবই পছন্দ কিম জং উনের। এবং প্রায়ই নিজের শেফ-টিমের কাছে ‘স্যুপের আবদার’ও করে থাকেন কিম।

জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুযায়ী, খাদ্য সংকট রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। অপুষ্টির শিকার সে দেশের শিশুরা। এমতাবস্থায় খাদ্যরসিক শাসকের ভোজন-বাজেট পিয়ংইয়ংয়ের কাছে কোনো ‘বোঝার’ থেকে কম নয় বলে সংবাদমাধ্য়মে প্রকাশিত।

প্রসঙ্গত, এটা অজানা নয়, অত্যধিক ধূমপান, স্থূলতা-সহ বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন কিম জং উন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলিতে দাবি, এর জেরেই হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার এবং তারপর থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন কিম জং উন। যদিও কিমের অস্ত্রোপচার সম্পর্কিত দাবি সত্যি না মিথ্যা, তা নিয়ে কোনো বিবৃতি আসেনি পিয়ংইয়ং থেকে। তবে মার্কিন ওষুধ সংস্থা ‘জন হপকিন্স’-এর তরফে দাবি, কিমের যে ধরনের স্থূলতা রয়েছে, তাতে হৃদযন্ত্রে অস্ত্রোপচার স্বাভাবিক।

দীর্ঘ অজ্ঞাতবাসের পর গত ১ মে সব কৌতূহলের অবসান ঘটিয়ে সর্বসমক্ষে আসেন কিম জং উন। রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের কাছে সানচনে একটি সার কারখানার ফিতে কাটতে দেখা গিয়েছিল তাকে। সূত্র:এইসময়।

Micro Web Technology

Check Also

নিজ ছবিযুক্ত মাস্ক কিনতে উপচে পড়া ভিড়

করোনা সতর্কতায় সারাবিশ্বে যখন সার্জিক্যাল বা এন নাইটি ফাইভ মাস্কের চাহিদা তুঙ্গে। তখন ভিন্ন ধরনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine + six =

বাংলাদেশে

  • মোট আক্রান্ত: ৪৪৬০৮ জন,
  • মোট সুস্থ: ৯৩৭৫ জন,
  • মোট মৃত্যু: ৬১০ জন

বিশ্বে

  • মোট আক্রান্ত: ৫৯২৩৪৩২ জন,
  • মোট মৃত্যু: ৩৬৪৮৪৯ জন