ফুটবল

ম্যানইউ’তে ফিরেই দলের মানসিকতায় উন্নতি এনেছেন রোনালদো

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর বয়স বাড়লেও মাঠের পারফরম্যান্সে তেমন কোনো ছাপ পড়েনি। ক্যারিয়ারে দীর্ঘ পথ ঘুরে পুরনো ঠিকানায় ফিরে দলকে উজ্জীবিত করছেন তিনি প্রতিনিয়ত। তার দৃঢ় মানসিকতার ইতিবাচক প্রভাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ড্রেসিং রুমে পড়ছে বলে মনে করছেন দলটির ডিফেন্ডার লুক শ।

গত অগাস্টে ইউভেন্তুস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে দুই বছরের চুক্তিতে যোগ দেন রোনালদো। ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগের দলটিতে খেলা পর্তুগিজ এই তারকা চেনা আঙিনায় ফিরেন ১২ বছর পর।

ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের দলটিতে ফেরার ম্যাচে জোড়া গোল করে ৩৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানান দেন নতুন শুরুর। দ্বিতীয় মেয়াদে এখন পর্যন্ত দলটির হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলে ৬ ম্যাচেই গোল করেছেন পাঁচটি।

গত শনিবার এভারটনের বিপক্ষে খেলা ম্যাচটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে রোনালদোর ২০০তম ম্যাচ। বিবিসির রেডিওতে অভিজ্ঞতায় ঠাসা এমন একজনকে ড্রেসিং রুমে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন শ।

“সে একজন তারকা। অনেক বছর ধরে সে যা করছে, তার সঙ্গে একই ড্রেসিং রুমে থাকতে পারাটা অবিশ্বাস্য অনুভূতি।”

“সে নিজেকে যেভাবে পরিচালনা করে, তাতে ফুটে ওঠে তার পেশাদারিত্ব। অনেক বছর ধরে সে কেন শীর্ষে, এখন এটা আমার কাছে পরিষ্কার। তার মতো মানসিকতা আর কারো নেই। আমার মনে হয়, দলের ড্রেসিং রুমে এই জায়গায় উন্নতি এনেছে সে।”

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে প্রথম অধ্যায়ে একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, তিনটি প্রিমিয়ার লিগ, দুটি লিগ কাপ, একটি করে এফএ কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছিলেন রোনালদো। এই ক্লাবে থাকতেই ২০০৮ সালে পেয়েছিলেন পাঁচ ব্যালন ডি’অরের প্রথমটি। তার হাত ধরেই সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জিতেছিল ইউনাইটেড।

২০০৯ সালের জুনে আট কোটি পাউন্ডের সেই সময়ের ট্রান্সফার ফির রেকর্ড গড়ে ইউনাইটেড থেকে রিয়াল মাদ্রিদে নাম লেখান রোনালদো। সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে কাটান স্বপ্নের নয়টি মৌসুম। রিয়ালকে জেতান সম্ভাব্য সব কিছু; চ্যাম্পিয়ন্স লিগ চারবার, লা লিগা দুইবারসহ অনেক শিরোপা।

এরপর ইউভেন্তুস অধ্যায়। ইতালির দলটিতে ২০১৮ সালে যোগ দিয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৩৪ ম্যাচে ১০১ গোল করেন রোনালদো। জেতেন দুটি লিগ ও একটি ইতালিয়ান কাপ।

এই জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × 2 =

Back to top button