আক্রান্ত

৭০৭,৩৬২

সুস্থ

৫৯৭,২১৪

মৃত্যু

১০,০৮১

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
Breakingতথ্যপ্রযুক্তি

দেশে ফেসবুক বন্ধ, ভিপিএন ব্যবহার করছেন অনেকে, বেড়েছে নিরাপত্তাহীনতা

সমস্যার শুরুটা শুক্রবার (২৬ মার্চ) থেকে। সেদিন বিকেল  থেকে ফেসবুক এবং মেসেঞ্জার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারছেন না বলে মানবজমিনকে অবগত করেন বাংলাদেশে বসবাসরত অনেক ফেসবুক ও মেসেঞ্জার ব্যবহারকারী। সমস্যাটি দুদিনে গড়ালেও এখনো সমাধান পাননি বলে জানান তারা। এছাড়াও শুক্রবার ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদ সংশ্লিষ্ট কিছু এলাকা এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকায় দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ার খবরও পাওয়া গিয়েছিল।

তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্বের কোথাও ফেসবুক বা মেসেঞ্জার ডাউন নেই। তাই ধারণা করা হচ্ছে, কেবল বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীরাই এ ধরনের সমস্যায় পড়ছেন।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এর পক্ষ থেকে শুক্রবার বলা হয়েছিল, ‘কারিগরি ত্রুটির’ কারণে ব্যবহারকারীরা  অ্যাপ দুটি ব্যবহার করতে পারছে না। ওইদিন এ বিষয়ে ফেসবুকের এক মুখপাত্র জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার সেবা সীমিত হওয়ার বিষয়টি তারা জানতে পেরেছেন। বিষয়টি সম্পর্কে আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছেন। আশা করা যায়, খুব শীঘ্রই এ সমস্যার সমাধান হবে।

সমস্যার সমাধান হয়নি শনিবারেও।

শনিবার দিনভর এ নিয়ে মুখ খুলেন নি কেউ-ই।
অবশেষে এ নিয়ে শনিবার রাতে ফেসবুকের একটি বিবৃতি পাওয়া যায়। বাংলাদেশে শুক্রবার থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও এর মেসেজিং অ্যাপ ডাউন করে রাখা হয়েছে বলে জানায় তারা। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে ফেসবুক সীমিত করার বিষয়টি আমরা জানি। আমরা এটি বোঝার চেষ্টা করছি। সবাই যাতে দ্রুত পুরো একসেস পায় সেজন্য আমরা কাজ করছি।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় যখন কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন, তখন বাংলাদেশ সরকার যেভাবে ফেসবুকের সেবা সীমিত করেছে তা উদ্বেগজনক।’

বাংলাদেশে ফেসবুক বা মেসেঞ্জার ব্লক করে দেওয়া হয়েছে কি না এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো মন্তব্য করেনি বলে শনিবারই রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়। এতে জানানো হয়- ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই দিনের বাংলাদেশ সফর নিয়ে বিক্ষোভকারীদের বিরোধীতার মধ্যে ফেসবুক সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এর আগেও বিক্ষোভ দমাতে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়াকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার নজির বাংলাদেশে রয়েছে।’

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, ফেসবুক বন্ধের জন্য এখন সরকারকে আর ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা মোবাইল অপারেটরদের ওপর নির্ভর করতে হয় না। সরকারের হাতেই সে ধরনের প্রযুক্তি রয়েছে।

জানা গেছে, ফেসবুক বন্ধ থাকার পরও বিকল্প পথে কেউ কেউ ফেসবুক ব্যবহার করছেন৷ নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, এতে নতুন করে অনেক মানুষ সাইবার নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে প্রবেশ করছেন৷ কারণ বিকল্প পথে বিভিন্ন ‘ব্রাউজার’ এবং অ্যাপ-এর মাধ্যমে ফেসবুক ব্যবহার করাটা স্বাভাবিকভাবেই সাইবার নিরাপত্তার জন্য হুমকি৷ যারা এটা করছেন তারা অনিরাপদ এবং সাইবার হুমকির মধ্যে রয়েছেন৷

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতায় শুক্রবার ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়। শনিবারও এসব স্থানে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। দুদিনের বিক্ষোভে পুলিশের সাথে সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী নিহত হন।

এই জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × one =

Back to top button